All posts by al-insaf24bdnews

সবার আগে সঠিক খবর পেতে Follow অপশনে ক্লিক করুন, বেশিবেশি Like, Coments & Share করুন। আমরা খোলা রেখেছি অনুসন্ধানি চোখ আপনিও আসুন আমাদের সাথে! আপনার অনুসন্ধানে পাওয়া সেরা খবরটি পাঠিয়ে দিন আমরা বিশ্বকে দেখিয়ে দেবো! ই-মেইল: al.insaf24bdnews@gmail.com

প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ঐক্যের ডাক মেনে নেয়ার কোনো কারণ নেই : মির্জা ফখরুল

প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ঐক্যের ডাক মেনে নেয়ার কোনো কারণ নেই : মির্জা ফখরুল

বিএনপি
সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন মির্জা ফখরুল – ছবি: সংগৃহীত

জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যের যে ডাক দিয়েছেন তা মেনে নেয়ার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংসদে যেতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সম্পর্কে বলেন, বিএনপি ও জোট ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে, তাই সংসদে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

আজ শনিবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য আমি শুনেছি। তার বক্তব্য শুনে আমার মনে হয়েছে তিনি একটা ‘গিল্টি কনসেন্স’ থেকে বক্তব্য দিয়েছেন। কেন জানি তার মনে হয়েছে, নির্বাচনটা ঠিক হয়নি, একটা ব্যাখা দেওয়া প্রয়োজন। সেই ব্যাখাটি তিনি (প্রধানমন্ত্রী) দিয়েছেন।’

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বিএনপি কেন ভালো করতে পারলো না, কেন তারা (আওয়ামী লীগ) এতো ভালো করলেন। সাধারণত আমরা কি দেখি? একটা নির্বাচনের পরে এই ধরনের কথা কেউ আনে না। যে প্রতিপক্ষ কেন পরাজিত হলো। উনি বিএনপির ব্যাপারে অনেকগুলো কথা বলেছেন, তার চিন্তা-ভাবনা থেকে। আসল প্রকৃত ঘটনাতে কেন কেউ যেতে চাচ্ছে না। কারণ ভয়ে, মিডিয়াও বলছে না। অন্যান্য সবাইও বলতে ভয় পাচ্ছে। কিন্তু ইতোমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, বিভিন্ন পলিটিক্যাল এরিয়া থেকে যে সমস্ত বক্তব্য এসেছে, যেসব রিপোর্ট এসেছে, তাতে করে প্রমাণিত হয়ে গেছে এই নির্বাচন কোনো নির্বাচনই হয়নি। এটা জাতির সাথে কঠিন তামাশা হয়েছে। যে কথাটি আমরা বারবার বলেছি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, এই নির্বাচন বাংলাদেশের একটি বড় রকমের ক্ষতি করে দিয়েছে দীর্ঘস্থায়ীভাবে। এই নির্বাচনের ফলে মানুষের নির্বাচন প্রতিষ্ঠানের উপর থেকে আস্থা চলে গেছে। নির্বাচন কমিশনের উপর থেকেও আস্থা চলে গেছে। এই নির্বাচনের ফলে রাষ্ট্রের উপর থেকেও আস্থা চলে যাচ্ছে এ জন্য যে রাষ্ট্রযন্ত্রগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে। বিভিন্ন এজেন্সিগুলোকেও ব্যবহার করা হয়েছে। সামগ্রকিভাবে জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে রাষ্ট্রকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। যেটা আওয়ামী লীগ করেছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শুধু আমি নই, দেশের সব ধরণের সচেতন মানুষ মনে করে, এই নির্বাচন কোনো নির্বাচনই হয় নাই। যে কারণে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও সব দল নির্বাচনের ফলাফলকে প্রত্যাখান করেছি। পুনরায় একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটা নির্বাচন দাবি করেছি। সেই নির্বাচনে জনগণ যেন তাদের রায় দিয়ে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি। মূলকথা হচ্ছে উনি (প্রধানমন্ত্রী) যে ফিরিস্তিগুলো দিয়েছেন, ওনার ইশতেহার এবং কাজের ফিরিস্তি দিয়েছেন, সেখানেও বিরাট রকমের গড়মিল রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এর আগেও বলেছি, যে উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে এটা পুরোপুরি একটা ধোঁকার উন্নয়ন। কিছু মানুষ অত্যন্ত ধনী হচ্ছে, বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় রিপোর্ট এসেছে যে দেশে ধনীর সংখ্যা এখন অনেক বেড়ে গেছে। আর গরীব আরও গরীব হচ্ছে। প্রতিটি দ্রব্যমূল্যে বেড়েছে, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা নিচে চলে যাচ্ছে। জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। বিনিয়োগের কোনো নিরাপত্তা নেই। ব্যাংকে যারা টাকা রাখছেন, তারা দেখছেন বিভিন্নভাবে তাদের টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে। দুর্নীতি এমন ভাবে বেড়েছে, যা নিয়ে কেউ কোনো প্রশ্নও করতে পারে না। পুরোপুরি একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চলছে। সেটা করার জন্য এই ধরণের নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ঐক্যের ডাক ও বিরোধী দলকে সংসদে যোগ দানের আহ্বানের বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যের ব্যাপারে উনি যে ডাক দিয়েছেন তা মেনে নেয়ার কোনো কারণ নেই। নির্বাচন আগে তিনি যখন আমাদের সাথে সংলাপ করেছেন, তখন তিনি যে কথাগুলো বলেছিলেন, সেগুলো কি রাখতে পেরেছেন? একটাও রাখতে পারেননি। অর্থাৎ রাখেননি। তিনি বলেছিলেন, কোনো গ্রেফতার হবে না। নতুন কোনো মামলা হবে না। এর একটাও তারা রাখেননি। নির্বাচনের একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করার কথা ছিল তাও করেননি। একইভাবে আজকে যে কথাগুলো তিনি বলছেন, তাও কথার কথা। এগুলো তিনি সব সময় বলেন। আমরা তো নির্বাচনের ফলাফলই প্রত্যাখান করেছি। সেখানে নতুন করে শপথ নেয়া বা সংসদে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই উঠে না।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

বিএনপি ভেঙে যাবে নিজেদের কোন্দলে: কাদের শকুনির দোয়ায় গরু মরে না: রিজভী

বিএনপি ভেঙে যাবে নিজেদের কোন্দলে: কাদের
শকুনির দোয়ায় গরু মরে না: রিজভী

আল-ইনসাফ িনউজ

২৬ জানুয়ারি ২০১৯

01.jpg
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।বিএনপি ভেঙে যাবে নিজেদের কোন্দলে-আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কাদেরের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘শকুনের দোয়ায় গরু মরে না।’ রিজভী একথাও বলেন, আওয়ামী লীগ ভেঙে চুপসে গেছে। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এ কথা বলেন। রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, বিএনপি তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জন্য ভাঙবে। এই অবস্থায় বিএনপি যদি ভাঙনের মুখে যায়, তাহলে বিএনপির ঘরোয়া কলহ-কোন্দলের জন্যই বিএনপি ভাঙবে। আওয়ামী লীগের প্রয়োজন নেই বিএনপি ভাঙার।

আজ কাদেরের সেই মন্তব্যের জবাবেই পাল্টা মন্তব্য কেরেছেন রিজভী। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ভেতর থেকে ভেঙে চুপসে গেছে। সেখানে নানা পন্থী এবং সিনিয়র-জুনিয়র নানা ধারা। যে কারণে তারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারেনি, পুলিশের ওপর নির্ভরশীল হয়ে রাতের অন্ধকারে জাল ভোট দিয়ে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করতে হয়েছে।
রিজভী বলেন, ‘পুলিশি ক্ষমতা যখন থাকবে না, তখন তো আওয়ামী লীগের বাতি জ্বালানোর লোকও খুঁজে পাওয়া যাবে না। বিএনপির মধ্যে কোনো বিভেদ নেই।’ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত সকল নেতা-কর্মী ঐক্যবদ্ধ বলে ঘোষণা দেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘এই ঐক্যে ফাটল ধরাতে পারেনি বলেই ওবায়দুল সাহেবের বুকে বড় জ্বালা। এ জন্য তিনি বিএনপির ছিদ্র খুঁজতে আর্তচিৎকার করছেন। ওবায়দুল কাদের সাহেবকে মনে রাখার জন্য বলব, শকুনির দোয়ায় গরু মরে না।’

রিজভী অভিযোগ করে বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে যেখানে রাখা হয়েছে, সেই জায়গাটির কোনো পরিবর্তন হয়নি। অস্বাস্থ্যকর, স্যাঁতসেঁতে ও ধুলাবালিতে আকীর্ণ কক্ষটিতে তাঁকে বাস করতে বাধ্য করা হচ্ছে। বারবার এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তারা ভ্রুক্ষেপহীন থেকেছে।

রিজভী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, সেটি অমানবিক ও দুঃখজনক।

তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি: কাদের

তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি: কাদের

আল-ইনসাফ নিউজ অনলাইন
২৬ জানুয়ারি ২০১৯

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পেোরেশন (ডিএনসিসি) সহ সব নির্বাচনে বিএনপিকে অংশ নেয়ার অনুরোধ করেছেন আওয়মী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন, ঢাকা উত্তর সিটি ও উপনির্বাচন আছে। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুর কারণে যে আসনটি শূন্য রয়েছে সেটি এবং অন্য উপ-নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক নিবন্ধিত দলকে আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সাথে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি।

গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এসে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কাদের বলেছেন, বিএনপি আজকে দিশেহারা পথিকের মতো পথ হারিয়ে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে ফেলছে। পথিক যেমন পথ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে যায়, নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিএনপির অবস্থা সে রকম। তারা কি করবে, কি করবে না কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে। জাতীয় নির্বাচনে মহাপরাজয়ের পর বিএনপি’র অবস্থা এখন মহাবিপর্যয়ে পড়ার মতো। তারা রাজনীতির মহাদুর্যোগে পতিত এবং দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনে আসা না আসা তাদের সিদ্ধান্তের ব্যাপার। তবে একটা দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার যে পরিণতি, সেটা তাদের অচিরেই ভোগ করতে হবে। কারণ, এতে তারা আরো নতুন সংকটে পতিত হবে। এ দেশে মুসলীমলীগও একটা বড় দল ছিল। বিএনপিও মুসলিমলীগের পরিণতির দিকে যাচ্ছে কি না। মনে হয় বিএনপি নির্বাচন বয়কটের মধ্যে দিয়ে নিজেদের আরো সংকুচিত করার পথ, সর্বনাশা পথ ও আত্মঘাতি পথ বেছে নিয়েছে। তাদের অনুরোধ করবো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য।

মন্ত্রী বলেন, চন্দ্রা ও কোনাবাড়ি ফ্লাইভারের কাজ আগামী এপ্রিলের মধ্যে শেষ হবে ইনশায়াল্লাহ। এর মধ্যে কালিয়াকৈরের লতিফপুর ও টাঙ্গাইলের ধেরুয়া রেলওভার ব্রীজের কাজ শেষ হয়েছে। আমি আশা করছি কোনাবাড়ি, চন্দ্রা ফ্লাইওভারব্রীজ এবং লতিফপুর ও ধেরুয়া রেলওভার ব্রীজগুলো আগামি রোজার আগে আমরা যানচলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দিত পারব। এতে আগামি রমজানের ঈদে জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত সড়কে আর কোন সমস্যা থাকবে না, যানচলাচল স্বাভাবিক হবে। এরমধ্যে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে রংপুর পর্যন্ত ফোরলেনের রাস্তার কাজের আমরা চুক্তি করেছি। এরজন্য ১২হাজার কোটির টাকার মত বরাদ্দ হয়েছে। বৃহস্পতিবারও সাসেক-২ প্রজেক্টের একটা চুক্তি করেছি। এরপর আমাদের সাসেক-৩ তে আসবে পঞ্চগড় থেকে বর্ডারের বুড়িমারী পর্যন্ত ফোরলেনের কাজ। এতে গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে গোটা উত্তরাঞ্চল ফোর লেনের আওতায় চলে আসবে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের উপ-পুলিশ কমিনার আজাদ মিয়া, ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, সাসেক প্রকল্পের পরিচালক ইছহাক এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১ এ পরিদর্শনে যান।

এই মুহূর্তে সংসদে যাওয়ার বা শপথ নেওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না: মির্জা ফখরুল

এই মুহূর্তে সংসদে যাওয়ার বা শপথ নেওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না: মির্জা ফখরুল

আল-ইনসাফ নিউজ অনলাইন

২৬ জানুয়ারি ২০১৯

গত শুক্রবার জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির।

উল্যেখ্য প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে শেখ হাসিনা বলেছেন, সংখ্যা দিয়ে বিরোধী দলকে মূল্যায়ন করা হবেনা। সংখ্যা যত কমই হোক, সংসদে যেকোনো সদস্যের ন্যায্য ও যৌক্তিক প্রস্তাব/আলোচনা/সমালোচনার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। আমি বিরোধীদলের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিয়ে সংসদে যোগদানের আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানকে ‘প্রতারণামূলক’ বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংসদে আসতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই মুহূর্তে সংসদে যাওয়ার বা শপথ নেওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না।

টানা তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। তাঁর এই ভাষণের পর তাৎক্ষণিক ভাবে সাংবাদিকদের কাছে বিএনপি মহাসচিব এই প্রতিক্রিয়া দেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আওয়ামী লীগের বিজয়ের কারণ ও বিএনপির পরাজয়ের কারণ উল্লেখ করেছেন।

মির্জা ফখরুল বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বলেন, এই নির্বাচনে মানুষের মতামতের প্রতিফলন ঘটেনি। ক্ষমতাসীনরা নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি করেছে যা ইতিপূর্বে বাংলাদেশে কখনো হয়নি। ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতা আবার দখল করে নিয়েছেন। এরা আবার বলছেন দেশ পরিচালনা করবেন এবং এরা বিরোধী দলকে সংসদে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, এই বক্তব্যের মধ্যে আরও একটা প্রতারণা জনগণের সাথে করা হচ্ছে, বোকা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে মানুষকে।

মির্জা ফখরুল বলেন, একাদশ সংসদে যাওয়ার বিষয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার। এটা কী সংসদ ধরা যায়? তিনি বলেন, বিএনপি ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে। এই মুহূর্তে সংসদ যাওয়ার বা শপথ নেওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না। ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি বলছে নির্বাচন বাতিল করেন, আবার নতুন নির্বাচন দেন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেন। সবাই অংশগ্রহণ করবে। তারপরে যে ফলাফল আসবে সেই ফলাফলের ভিত্তিতে সংসদ এবং, সরকার গঠন হবে। আমরা তো আগেই বলে দিয়েছি। নতুন করে বলার কিছু নেই।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তার বক্তব্যের মধ্যে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন কেন তার বিজয় হলো? সেই ব্যাখ্যাই প্রমাণ করে যে তারা আসলে কোনো বিজয় অর্জন করেননি, জনগণের ভোটকে ডাকাতি করে নিয়ে গিয়ে ক্ষমতা দখল করে বসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যাটা সেটাই প্রমাণ করে। তিনি বলেন, এর আগে আপনার (প্রধানমন্ত্রী) কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। সঠিক ভোটে জিতলে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। ইতিমধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া এবং বিভিন্ন দেশগুলো বক্তব্যের মধ্যে এসেছে যে, এই নির্বাচন কখনোই গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়নি এবং এখানে মানুষের মতামতের প্রতিফলন হয়নি। ভয়াবহ রকমের নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি হয়েছে।

এখন আমাদের প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

এখন আমাদের প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য; বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

২৬ জানুয়ারী ২০১৯

এখন আমাদের প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। নতুন সরকার সংখ্যা দিয়ে বিরোধী দলকে মূল্যায়ন করবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিরোধীদলের নির্বাচিত সদস্যদের সংসদে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন।

গত শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

একাদশ সংসদে বিরোধীদলের সদস্য সংখ্যা নিতান্তই কম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তবে সংখ্যা দিয়ে আমরা তাদের বিবেচনা করব না। সংখ্যা যত কমই হোক, সংসদে যেকোনো সদস্যের ন্যায্য ও যৌক্তিক প্রস্তাব/আলোচনা/সমালোচনার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে। আমি বিরোধীদলের নির্বাচিত সদস্যদের শপথ নিয়ে সংসদে যোগদানের আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিজয়ের পর আমরা সরকার গঠন করেছি। সরকারের দৃষ্টিতে দলমত নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিক সমান। আমরা সবার জন্য কাজ করব। সরকারি সেবাখাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় জীবনের সর্বত্র আইনের শাসন সমুন্নত রাখার উদ্যোগ গ্রহণ করব। জাতীয় সংসদ হবে সব সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রবিন্দু।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘এখন আমাদের প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের ঐক্যের যোগসূত্র হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সাম্য ও ন্যায়বিচার এবং উন্নয়ন ও অগ্রগতি।’

আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে হিংসা-বিদ্বেষ হানাহানি থাকবে না। সব ধর্ম-বর্ণ এবং সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবেন। সব নিজ নিজ ধর্ম যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করতে পারবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের নিজেদের শোধরানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে দুর্নীতি উচ্ছেদ করা হবে। আমরা তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির নির্মুল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। দুর্নীতি বন্ধে জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি। তাই, গণমাধ্যমের সহায়তায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরির কাজ অব্যাহত থাকবে। আপনারা দেখেছেন আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে এরইমধ্যে মাদক, জঙ্গি তৎপরতা এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে সফলতা অর্জন করেছি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

‘বৈশ্বিক প্রভাবে কিংবা স্থানীয় প্ররোচনায় আমরা কিছু কিছু তরুণকে বিভ্রান্তির শিকার হয়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হতে দেখেছি। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামে সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। আমি সমাজের সবাইকে মাদকাসক্তি ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি’, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে আমরা কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছি। মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদনমুখী করা হচ্ছে। কওমি মাদ্রাসার দাওয়ারে হাদিস ডিগ্রিকে মাস্টার্স ডিগ্রির সমমানের করা হয়েছে। সারাদেশে ৫৬০টি মসজিদ-কাম-ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।’

দেশে স্বাধীনতা এলেও মানুষের মুক্তি আসেনি -ড. কামাল

দেশে স্বাধীনতা এলেও মানুষের মুক্তি আসেনি -ড. কামাল

 

১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

দেশে স্বাধীনতা এলেও মানুষের মুক্তি আসেনি ॥ ড. কামাল

 

অনলাইন রিপোর্টার ॥ দেশে স্বাধীনতা এলেও মানুষের মুক্তি আসেনি বলে মন্তব্য করেছে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, মানুষের মুক্তির জন্য আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

আজ রবিবার সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ড. কামাল বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন। শহীদদের লক্ষ্য গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ পূরণ হয়নি। সেই লক্ষ্যপূরণে আমাদের কাজ করতে হবে। এজন্য আমরা দেশের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।

তিনি বলেন, বিজয়ের মাসে শপথ নিতে হবে কোন জরবদস্তি, কোন লাঠিয়াল, সন্ত্রাসের ব্যবহার মেনে নেওয়া যায় না। যারা রুগ্ন রাজনীতি করে তারাই জরবদস্তি, লাঠিয়াল বাহিনী, সন্ত্রাস, কালো টাকার ব্যবহার করে। স্বাধীন দেশে এগুলো মানা হবে না।

এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আব্দুর রবসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি প্রার্থীদের উপর হামলা : যা বললেন কাদের

বিএনপি প্রার্থীদের উপর হামলা : যা বললেন কাদের

১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

 

ফেনী শহরের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ নেতৃবৃন্দ 

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কিছু ছদ্মবেশী গণতন্ত্রী, ছদ্মবেশী মুক্তিযোদ্ধা বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এ অপশক্তিকে প্রতিহিত ও পরাজিত করে বিজয়ী হতে হবে এটাই আজকের শপথ। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আজ রোববার সকালে ফেনী শহরের শহীদ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, যত চক্রান্তই করুক ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন হবে, কোনো অপশক্তিই এ নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না।

নোয়াখালীতে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের উপর হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা নিজেরাই প্রথমে উস্কানি দিয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকালে মাহবুব উদ্দিন খোকন কিছুটা আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

কাদের বলেন, তাদের ছক অনুযায়ী নিজেরাই নিজেদের উপর হামলা করে সরকার ও আওয়ামী লীগের উপর দোষ চাপানোর অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে। জনগণ তাদের এ দুরভিসন্ধি বুঝতে পেরেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা নিশ্চিত পরাজয় জেনে অপশক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে এবং জনগণের পক্ষ থেকে সাড়া না পেয়ে নিজেরাই উস্কানিমূলক তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে।

সারাদেশে নৌকার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ গণজোয়ার দেখে তারা বেসামাল ও বেপোরোয়া হয়ে পড়েছে।

এ সময় ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য জাহানআরা বেগম সুরমা, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্য্যান আবদুর রহমান বি.কম, ফেনী পৌরসভার মেয়র হাজী আলাউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এখনই সেনা নামান : ইসিকে বিএনপি

এখনই সেনা নামান : ইসিকে বিএনপি

 

পোস্টার লাগাতে দিচ্ছে না। গ্রেফতার করছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আমরা প্রতিরোধ গড় তুললে তখন বিরাট সহিংসতা ঘটবে। তাই এখনই সেনা নামান বলে ইসিকে লিখিতভাবে দাবি জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান।

আজ দুপুরে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ ও দাবি জানিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন আতাউর রহমান ঢালি ও বিজন কান্তি সরকার।

এ কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করা যায় না : মওদুদ

এ কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করা যায় না : মওদুদ

 

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ – ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, নির্বাচন কমিশন যে ব্যর্থ হয়েছে প্রার্থীর উপর একের পর এক হামলা তার প্রমাণ। দেশের কোন স্থানে নির্বাচনের পরিবেশ নেই। বিশেষ করে নোয়াখালীর ৬টি আসনে প্রার্থীদের গণসংযোগ করতে দিচ্ছেনা। এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের আশা করা যায় না।

 

পুলিশের ন্যক্কারজনক ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা দেবে। আর পুলিশ যদি প্রকাশ্য গুলি চালায় তাহলে জনগণকে নিরাপত্তা কে দেবে। তিনি সোনাইমুড়ী থানার ওসি আঃ মজিদের বিচারের দাবী জানান।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ রবিবার সকাল ১১টায় পুলিশের গুলিতে আহত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও জাতীয় সংসদের নোয়াখালী ১ চাটখিল-সোনাইমুড়ী আসনের বিএনপি প্রার্থী নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনকে দেখতে এসে সাংবাদিক সাথে আলাপকালে কথাগুলো বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মোঃ শাহাজাহান, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট আঃ রহমান প্রমুখ।

মওদুদ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগে বাধা, প্রার্থীদের হামলা গুলি চালাচ্ছে কিন্তু এসব বিষয় কমিশন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। তিনি অবিলম্বে হামলা মামলা গ্রেফতার বন্ধ করে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবী জানান। পরে তিনি আ.লীগের হামলায় আহত সেনবাগ উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালামকে হাসপাতালে দেখতে যান।