ইসির বিবৃতি ও ভাষা নিয়ে এতো প্রশ্ন কেন?

ইসির বিবৃতি ও ভাষা নিয়ে এতো প্রশ্ন কেন?
বিবিসি ২৫ নভেম্বর ২০১৮

367268_19প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা
বাংলাদেশে গত দু’সপ্তাহ ধরে প্রায় প্রতিদিনই তাদের কার্যক্রম নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করছে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে কমিশন কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং ভাষা।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করার পর কমিশন যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, যেসব বক্তব্য দিচ্ছে – তা নিয়ে সমালোচনায় মুখর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বহু মানুষ প্রতিদিনই কমিশনের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে তির্যক সব মন্তব্য করছেন।

বিশেষ করে বিদেশী নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবের এক বক্তব্য, তার ভাষার ব্যবহার নিয়ে ফেসবুকে কাটা-ছেড়া চলছে।

কমিশন সচিব পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব এবং অধিকার সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্তব্য করেন, ‘তারা মূর্তির মত দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করবেন, কোনো কমেন্ট করতে পারবেন না। ইন্টারভিউ দিতে পারবেন না…’।

তার এই বক্তব্য আর এই নিয়ে সমালোচনা এবং টিকা-টিপ্পনীর ঝড় শুরু হয়ে সামাজিক মাধ্যমে।

১৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট তৎপরতা দেখাচ্ছে, কিন্তু তার পরও কেন প্রতিনিয়ত এ ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের?

নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান শারমিন মোর্শেদ বিবিসিকে বলেন, কমিশনের উদ্দেশ্য ঠিক থাকলেও কূটনৈতিক ভাষা ব্যবহার করতে না পারার কারণে এইসব বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।

‘ভাষাটাকে পরিবর্তন করা দরকার…যে ভাষাটা তারা ব্যবহার করছে সেটা প্রচণ্ড-ভাবে মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং তৈরি করছে। যেমন নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কথা আমি বলি, তার (সচিবের) কথা যে অমূলক ছিল সেটা না। কিন্তু যে ভাষায় তারা কথা বলছে সেটা হয়ে যাচ্ছে অস্বস্তিকর এবং অগ্রহনযোগ্য।’

নির্বাচন কমিশন পুলিশ প্রশাসনের সাথে বৈঠক করে কিছু নির্দেশ দিয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে : তফসিল ঘোষণার পর কাউকে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করা যাবে না, মামলা করা যাবে না, হয়রানিমূলক মামলা বা গ্রেফতার করা যাবে না।

কিন্তু প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো কোনো ভরসা পাচ্ছেনা। তার বার বার বলছে – পুলিশ কথা শুনছে না, এবং নির্বাচন কমিশন পুলিশকে জবাবদিহি করার চেষ্টা করছে না।

সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো.শাহনেওয়াজ বিবিসিকে বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন যেসব আদেশ দিয়েছে তার মধ্যে বেআইনি কিছু নেই, তবে নির্বাচনের আগে তাদের আরো দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

‘তবে হ্যাঁ, কথাবার্তায় উনাদের আরেকটু চোস্ত হতে হবে। আরেকটু সাবধানী হওয়া উচিত। যেমন মূর্তির মত দাঁড়িয়ে থাকবেন, এটা না বলে বলতে পারতো চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকবেন। আসলে আইনেও তাই আছে’।

শাহনেওয়াজ বলেন, প্রধানত ভাষা প্রয়োগের কারণেই প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। ‘তাদেরকে আরো সাবধানী হতে হবে কারণ সারা জাতি, ভোটাররা তাকিয়ে আছে নির্বাচন কমিশন কখন কী করছে সেটা দেখার জন্য।’

এছাড়া নির্বাচন কমিশনারদের করা বিভিন্ন মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও লোকজনকে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ করতে দেখা গেছে।

ব্রতীর শারমিন মোর্শেদ বলছেন, নির্বাচন কমিশনারদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি অনেক মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি করছে।

‘নির্বাচন কমিশনের যে অভিজ্ঞতা দরকার সেটা সুদৃঢ় হচ্ছে না। কারণ প্রতিবারই এমন পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে যে অতীতের জ্ঞান, তথ্য, দক্ষতা হারিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হওয়ার জায়গায় খুব গুরুত্বপূর্ণ দুর্বলতা আছে। নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ বাকি আছে, অথচ নির্বাচন কমিশন আমাদের সুস্থির একটা জায়গায় নিতে পারেনি।’

কেন তারা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেন, জানতে একাধিক কমিশনারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা মন্তব্য করতে চাননি।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার লোভে বিএনপি-জামায়াতের সাথে হাত মিলিয়েছেন ড. কামাল : হানিফ

জাতীয় রাজনীতি

রাষ্ট্রপতি হওয়ার লোভে বিএনপি-জামায়াতের সাথে হাত মিলিয়েছেন ড. কামাল : হানিফ

১৭ নভেম্বর ২০১৮

মাহাবুব-উল আলম হানিফ –
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেন রাষ্ট্রপতি পদের লোভে সন্ত্রাসী ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাথে হাত মিলিয়েছেন।

হানিফ শনিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিক সমীরণ রায়ের লেখা ‘বঙ্গবন্ধু-বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘গত শুক্রবার ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সম্পাদকদের সাথে বৈঠক করেছেন। সেখানে একজন সাংবাদিক বন্ধু জিজ্ঞাসা করেছিলেন- আপনারা যদি জয়লাভ করেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? তারা বলেছেন পরে ভেবে দেখবো বা সময় বলে দেবে। জাতির সামনে এটা বলতে তারা লজ্জাবোধ করেছেন। কারণ জাতি জানে তারা যদি জয়লাভ করেন তাহলে তাদের প্রধানমন্ত্রী ওই সন্ত্রাসী একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমানকেই বানাতে হবে’।

তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেন এখন প্রকাশ্যে এ কথাটা (তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন) বলতে কুণ্ঠাবোধ ও লজ্জাবোধ করছেন বলেই তিনি মুখে বলছেন না। তিনি রাষ্ট্রপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে আছেন। তাই এ ধরনের দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সাথেও হাত মেলাতে কুণ্ঠাবোধ করেননি।

নয়াপল্টনে পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ও পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ বলেন, আমরা অবাক হলাম বিএনপি যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটালো, পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নি সংযোগ করার মাধ্যমে- সে বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতা হিসেবে ড. কামাল হোসেন সাহেবের একটি শব্দও আমরা দেখিনি। নিন্দাও তিনি করতে পারেননি। তিনি এ ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশও করেননি।

তিনি আরো বলেন, ‘ড. কামাল হোসেনের ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে বিএনপি এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করলো, এ জন্য তিনি বিএনপিকে ধিক্কার জানাননি এবং জাতির কাছে দুঃখও প্রকাশ করেননি। এর মাধ্যমে এটা প্রমাণিত ড. কামাল হোসেন ঐক্যফ্রন্টের নেতা হিসেবে থাকলেও সকল কলকাঠি নড়ে লন্ডন থেকে। ড. কামাল হোসেনও হয়তো লন্ডনের ভয়ে প্রতিবাদ করেননি। অথবা অন্য কোন কিছু লোভে তিনি এ ঘটনার জন্য নিন্দা প্রকাশ বা দুঃখ প্রকাশ করেননি। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এই জনধিকৃতরা সামান্য কিছু পাওয়ার লোভে জাতির সাথে প্রতারণা করতে কুণ্ঠাবোধ করেন না।’

ড. কামাল হোসেন জাতির সাথে মিথ্যাচার ও প্রতারণা করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, উনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বলেন। যুদ্ধাপরাধী জামায়াতের সাথে যে জোট, সেই ২০ দলীয় জোটের সাথে উনি আঁতাত করে ঐক্যফ্রন্ট করে বলেন মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী কোনো শক্তির সঙ্গে আমাদের জোট নেই। একটা অদ্ভুত টাইপের মিথ্যাচারের মাধ্যমে জাতির সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে।

হানিফ বলেন, বিএনপি এখন নেতৃত্ব ভাড়া করেছে। দ্বারস্থ হয়েছেন খ্যাতনামা আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের। কামাল হোসেন সাহেব বিশিষ্ট আইনজীবী এবং আমরা অনেকেই তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখি। যদিও তার অতীত রাজনীতি এ দেশের জনগণের জন্য কখনো কল্যাণকর ছিল না। বারবারই তিনি জনগণের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন এমন রেকর্ড নেই।

সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী, অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, ঢাকা

রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলী শুভ, লেখক সমীরণ রায়, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

সরকারের ইচ্ছায় চলছে বিচার বিভাগ; মির্জা ফখরুল

সরকারের ইচ্ছায় চলছে বিচার বিভাগ; মির্জা ফখরুল

১৭ নভেম্বর ২০১৮

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর – সংগৃহীত

দেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নেই, বিচার বিভাগে নৈরাজ্য চলছে, সরকারের ইচ্ছায় চলছে। আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের মহাসমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ সাত দফা দাবিতে শনিবার সুপ্রিমকোর্ট চত্বরে সকাল ১০টা থেকে জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের মহাসমাবেশ শুরু হয়। মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ড. কামাল হোসেন।

সুপ্রিমকোর্ট চত্বরের মহাসমাবেশে যোগ দিয়েছেন সারাদেশের আইনজীবীরা।

এর আগে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে আইনজীবী মহাসমাবেশ সফল করার জন্য একাধিক প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।

মহাসমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন ও জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক জয়নুল আবেদিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ও আইনজীবী ঐক্যফ্রন্টের সদস্য সচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন।

নরসিংদীর ঘটনার সাথে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই : কাদের 

নরসিংদীর ঘটনার সাথে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই : কাদের

১৭ নভেম্বর ২০১৮

ওবায়দুর কাদের – সংগৃহীত
শুক্রবার নরসিংদীর রায়পুরায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে যে ৪ জন নিহত হয়েছে, তার সাথে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘৫০ বছর আগে থেকে গ্রামে গ্রামে এই ঘটনা ঘটে আসছে, এর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। কিছু দিন আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে, তখন তো মিডিয়া সেটাকে রাজনীতিতে জড়ায়নি। এখন নির্বাচন, তাই কিছু কিছু মিডিয়া এমন লিখছে।’

শনিবার ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করে আসছে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘লেভেল প্লেইং এর বিষয়টা এখন পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের উপর। এখানে সরকারের কিছু করার নেই। এটা নিশ্চিত করবে নির্বাচন কমিশন। ইলেকশনের শিডিউল ঘোষণার পর থেকে এটা নির্বাচন কমিশনের হাতে চলে গেছে।’

গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ না পেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর যে হুমকি দিয়েছে, তার জবাবে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ভোটে বিএনপি আসলেই অংশ নিতে চায় কি না?

‘পল্টনে যে ঘটনাটা তারা ঘটিয়েছে, তারা সুষ্ঠু পরিবেশ তারা চায়? তাদের আচরণে তো তার কোনো প্রকাশ নেই।’

‘যেভাবে তারা পুলিশের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে, এটা তো প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটেছে। তারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে গিয়ে যে দানবীয় কাণ্ড ঘটাল! এখানেই তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সংশয় রয়ে গেছে।’

কূটনীতিকদের সাথে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে কয়েকটি রাষ্ট্র নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে বলে খবর এসেছে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অনেকগুলো দেশের সঙ্গে আলোচনা করলে একটা-দুইটা দেশ প্রশ্ন তুলতেই পারে। আর বিএনপি তো প্রচুর টাকা পয়সা দিয়ে লবিং করাচ্ছে, এটা লবিংয়ের মাধ্যমেও হতে পারে।’

সম্পাদকদের সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীর বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের নিরুত্তর থাকার বিষয়ে কাদের বলেন, ‘এ প্রশ্নটা আমি রেইজ করেছি, এখন পর্যন্ত জবাব পাইনি।’

কাদের জানান, মহাজোটে থেকে নির্বাচনে অংশ নিলেও জাতীয় পার্টি লাঙ্গল এবং যুক্তফ্রন্ট কুলা প্রতীকে লড়বে।

বিএনপির বিভাগওয়ারী প্রার্থীগণের সাক্ষাতের সময়সূচী নির্ধারণ

বিএনপির বিভাগওয়ারী প্রার্থীগণের সাক্ষাতের সময়সূচী নির্ধার
১৬ নভেম্বর ২০১৮

365366_173
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যক্তিবর্গের যারা মনোনয়ন আবেদন ফরম পূরণ করে দলীয় প্রধান কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন তাদের বিভাগওয়ারী সাক্ষাৎকার শুরু হবে আগামী ১৮ নভেম্বর ২০১৮ রবিবার সকাল ৯টা থেকে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দলের চেয়ারপার্সনের গুলশানস্থ কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদেরকে সাক্ষাতের সময় আবেদন ফরম জমাদানের রশিদ অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা তাদের সমর্থকদেরকে সাথে নিয়ে আসতে পারবেন না। মনোনয়ন প্রত্যাশী তাদের সমর্থকদের সাথে করে আনলে তা অসদাচরণ বলে গণ্য হবে।

গুলশানস্থ চেয়ারপার্সনের কার্যালয়কে কেন্দ্র করে এর আশেপাশে আমন্ত্রিত মনোনয়ন প্রত্যাশী ও আমন্ত্রিতরা ছাড়া অন্য কেউ থাকতে পারবেন না। শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট মহানগর ও জেলাধীন নির্বাচনী এলাকার দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতের সময় উক্ত মহানগর ও জেলার বিএনপি’র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থাকবেন।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকগণও উপস্থিত থাকবেন। সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিতদেরকে নির্দিষ্ট তারিখে যথাসময়ে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
বিভাগওয়ারী প্রার্থীগণের সাক্ষাতের তারিখ ও সময় :
* ১৮ নভেম্বর ২০১৮, রবিবার-

রংপুর বিভাগ,

সকাল ৯টা থেকে বেলা ১-৩০টা
রাজশাহী বিভাগ,

বেলা ২-৩০টা থেকে ১৯ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার- বরিশাল বিভাগ, সকাল ৯টা থেকে বেলা ১-৩০টা
খুলনা বিভাগ, বেলা ২-৩০টা থেকে
* ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার——-চট্টগ্রাম বিভাগ, সকাল ৯টা থেকে বেলা ১-৩০টা
কুমিল্লা ও সিলেট বিভাগ, বেলা ২-৩০টা থেকে
* ২১ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার – ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগ, সকাল ৯টা থেকে বেলা ১-৩০টা
ঢাকা বিভাগ, বেলা ২-৩০টা থেকে

হাসিনা-এরশাদের ঐক্য কেউ বিনষ্ট করতে পারবে না

হাসিনা-এরশাদের ঐক্য কেউ বিনষ্ট করতে পারবে না
১৬ নভেম্বর ২০১৮

365256_159
‘হাসিনা-এরশাদের ঐক্য কেউ বিনষ্ট করতে পারবে না’ – ছবি সংগৃহীত
জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা বলেছেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা ও পল্লীবন্ধু এরশাদের মধ্যে যে ঐক্য গড়ে উঠেছে সেই ঐক্য কেউ বিনষ্ট করতে পারবে না। আগামী নির্বাচনে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির স্বার্থে মহাজোট প্রার্থীদের বিজয় করে জণগণ রাষ্ট্র নায়ক শেখ হাসিনা ও পল্লীবন্ধু এরশাদকে ক্ষমতায় বসাবে।

শুক্রবার নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-৪ আসনের কদমতলী থানায় নিজের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা সুজন দে, শেখ মাসুক রহমান, শ্যামপুর থানার সভাপতি কাওসার আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মোল্লা, সুলতানা আহমেদ লিপি, শামসুজ্জামান কাজল প্রমুখ।

বাবলা বলেন, নির্বাচন বানচাল করার জন্য নানামুখী চক্রান্ত ষড়যন্ত্র চলছে। সবাইকে চোখ কান খোলা রেখে সর্তক হয়ে কাজ করতে হবে। কোনো পাতানো ফাঁদে পা দেয়া যাবে না। নির্বাচনী আচরন বিধি লংঘন হয় এমন কোনো কর্মকান্ড পরিচালনা করা যাবে না। এই সময় তিনি শ্যামপুর কদমতলী থেকে তার ছবি সম্বলিত সকল ব্যানার ফেস্টুন পোস্টার ২৪ ঘন্টার মধ্যে নামিয়ে ফেলার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন।

তফসিলের পর গ্রেফতার ৪৭২ জনের তালিকা ইসিতে দিল বিএনপি

তফসিলের পর গ্রেফতার ৪৭২ জনের তালিকা ইসিতে দিল বিএনপি
১৬ নভেম্বর ২০১৮

images
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিএনপির ৪৭২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি তালিকা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আজ শুক্রবার জমা দিয়েছে বিএনপি।

সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার বরাবর এ তালিকা জমা দেয়া হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় মামলা তথ্য সংগ্রহকারী কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দিন খানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসিতে এ তালিকা জমা দেন। গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের নাম-পদবীসহ এ তালিকা জমা দিলো বিএনপি।

তালিকা ছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দেয়া ‘বানোয়াট মামলা’ প্রত্যাহারসহ গ্রেফতার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, গত ৮ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এবং আশপাশের এলাকাসহ সারাদেশ থেকে দলের ৪৭২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই মর্মে পাঁচটি এজাহারও পাওয়া গেছে। গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের পদ তালিকা জমা দেয়া হলো। পরবর্তীতে আরো পাওয়া গেলে সেগুলোও জমা দেয়া হবে।

তালিকা জমা দেয়ার পর সালাহউদ্দিন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘তফসিল পরবর্তী সময়ে ৪৭২ জন বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কমিশন থেকে বলা হয়েছিল, তফসিল পরবর্তী সময়ে কাউকে গ্রেফতার করা হবে না, কিন্তু করা হয়েছে। সেই তালিকা জমা দিলাম।’

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের পুনঃতফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর ধার্য করা হয়েছে।

সংবাদপত্রের কাছে সজাগ দৃষ্টি প্রত্যাশা ঐক্যফ্রন্টের

365170_199
১৬ নভেম্বর ২০১৮

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে পত্রিকার সম্পাদকদের সাথে বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন ড. কামাল
সংবাদপত্রের কাছে সজাগ দৃষ্টি প্রত্যাশা করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকদের সাথে বৈঠক করার পর সংবাদিকদের এসব কথা বলেন জোটের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন সরকারের কর্মকাণ্ডের দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে এবং সহযোগিতা করতে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যেসব সহযোগিতা দরকার, তার সবই সম্পাদকদের কাছে চাওয়া হয়েছে।

এই বৈঠকে সম্পাদকদের মধ্যে ছিলেন ‘নিউজ টুডে’র রিয়াজ আহমেদ, ‘প্রথম আলো’র মতিউর রহমান, ‘মানবজমিন’–এর মতিউর রহমান চৌধুরী, ‘নিউ এজ’–এর নুরুল কবীর, ‘ঢাকা ট্রিবিউন’–এর র জাফর সোবহান, ‘আমাদের নতুন সময়’–এর নাঈমুল ইসলাম খান, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ২৪ডটকম–এর তৌফিক ইমরোজ খালিদী, ‘সাপ্তাহিক’ –এর সম্পাদক গোলাম মর্তুজা প্রমুখ।

বৈঠক শেষে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিকেল তিনটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ব্যাপী সম্পাদকদের সাথে বৈঠক হয়েছে।

এটি একটি মূল্যবান সভা ছিল। কেননা তারা (সম্পাদকেরা) বিভিন্ন ব্যাপারে মতামত দিয়েছেন। আমাদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমাদের কাছ থেকে তারা কী আশা করেন, তা জানতে চেয়েছেন।’

গণফোরামের সভাপতি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের যেমন কর্তব্য আছে, আমরা যারা বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি আছি, যারা নির্বাচন করতে যাচ্ছি, তাদেরও কর্তব্য আছে। দলগুলোকে পরিবেশ রক্ষা করতে হবে যেন নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়।’

তিনি বলেন, ‘সম্পাদকদের সাথে আমাদের আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে কী কী জিনিস দেখেছেন। সম্পাদকেরা মনে করেন এবার আমাদের (ঐক্যফ্রন্ট) বিরত থাকতে হবে, সবাইকে সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করতে হবে যেন জনগণ সত্যিকার অর্থে নির্ভয়ে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।’

এক প্রশ্নের জবাবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ড. কামাল বলেন, নির্বাচন সত্যিকার অর্থে অবাধ ও নিরপেক্ষ যেন হয় সেটাই তাদের লক্ষ্য। এটাকেই তারা সত্যিকার অর্থে মূল্যবান মনে করেন। ঐক্যফ্রন্টের সেই চেষ্টা থাকবে।

তিনি বলেন, সরকারের আচরণের বিভিন্ন দিক তারা চিহ্নিত করেছেন। ঐক্যফ্রন্ট আশা করে সংবাদপত্র এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখবে।

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,

জাসদ সভাপতি আ স ম আবদুর রব, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদ, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

গত মঙ্গলবার মতিঝিলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এক বৈঠক থেকে সম্পাদকদের সাথে বসার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তারই আলোকে আজকের এবৈঠক সম্পন্ন হয়।

নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব : অলি আহমদ

১৫ নভেম্বর ২০১৮

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অলি আহমদ। – ছবি: সংগৃহীত
২০ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক এলডিপির সভাপতি কর্নেল অলি আহমদ বলেছেন, ‘বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে নিরপেক্ষ নির্বাচন অসম্ভব এবং সেক্ষেত্রে বলতে চাই ২০ দল নির্বাচনে আসুক সরকার সেটা চায় কি না তাতে সন্দেহ আছে।’

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) বেলা ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ‘নির্বাচন হবে কি না, আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো কিনা সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে সরকারের ওপর। কারণ এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। গত পরশু নির্বাচন কমিশন আইজিকে এক নির্দেশে বলেছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় কোনো মিছিল যাতে না হয় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য। এই নির্দেশের ফলেই বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মনোয়নপত্র জমা দিতে আসা সারা দেশের লাখ নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ বিনা উস্কানিতে হামলা চালায়।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘পুলিশের এই হামলায় নারীকর্মীসহ বিএনপির প্রায় ৬০/৭০ জন মারাত্মক আহত হন। এসময় বেগম খালেদা জিয়ার মনোয়নয়নপত্র জমা দিতে আসা তার উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আনিসুজ্জামান খান বাবু, খুলনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খানসহ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করেছে।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর বিএনপি কার্যালয় যখন জনশূন্য তখন একদল হেটমেটধারী লোক গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এই হেলমিট বাহিনী নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী কিশোর ছাত্র-ছাত্রীদের ওপরও হামলা চালিয়েছিল। তখন কর্তব্যরত সাংবাদিকদের অত্যাচার করেছিল। গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া যার ছবি পাওয়া গেছে সে ছেলেটি ছাত্রলীগের কর্মী বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন।’

‘মাত্র কয়েকদিন আগে ক্ষমতাসীন দল চার হাজারেরও বেশি মনোনয়ন ফরম বিক্রি করেছে। কেউ কেউ হাতি নিয়ে ঢাকঢোল বাজিয়ে মিছিল সহকারে এসেছে। নির্বাচন কমিশন তখন কোনো নির্দেশনা বা কোনো আদেশ জারি করেনি। প্রশাসন ও পুলিশ কোনো বাধা দেয়নি, কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। অন্যদিকে বিএনপির জনসমাগম দেখে তারা শঙ্কিত, কম্পমান, তারা হয়তো মনে করছে এবার আর ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। গদি ছাড়তে হবে। এই ভয়ে তারা নিরাপরাধ নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হলো। এর দুদিন আগে লাখ লাখ নেতাকর্মী শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে। কিন্তু হঠাৎ করে এমন কি হলো যে গতকাল হামলা চালাতে হলো। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় সমর্থকদের সংঘর্ষে দুজন মারাগেছে। তাতে পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

তিনি বলেন, ‘সরকার লেভেল প্লেইং ফিল্ডের কথা বলে। কিন্তু মাঠে ময়দানে যখন আমরা যাই তখন দেখি মন্ত্রীরা এখনও পুলিশ পাহাড়ায় চলে। কয়েক দিন আগে এরশাদ রংপুরে গিয়েছিলেন, সেখানে তাকে পুলিশের এসপি নিরাপত্তা দিয়েছেন। তাহলে বিএনপি ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদেরও পুলিশের নিরাপত্তা দিতে হবে। অন্যথায় এজন্য নির্বাচন কমিশনকে এক সময় জনগণের কাছে জবাব দিতে হবে।’

‘জাতীয় রাজনৈতিক দল ও জোটের সাথে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী কথা দিয়েছিলেন যে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর কোনো রাজনৈতিক মামলা দেয়া যাবে না, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হবে না এবং গায়েবি ও মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো তিনি একথা বলার পরেও শতশত রাজনৈতিক ও গায়েবি মামলা হয়েছে এবং হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে আসামি করে ঘর-বাড়ি ছাড়া করা হয়েছে।’

জরুরী নিয়োগ

জরুরি ভিত্তিতে কিছু সংখ্যক এনড্রয়েট এপস ডেভলোপার ও ওয়েব ডেভলোপার এবং ওয়েব ডিজাইনার প্রয়োজন।
আগ্রহিগন কে জরুরি ভাবে

ইনবক্সে

যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইল।