Category Archives: ক্রীড়া

হোপকে আশাহত করলেন মিরাজ

হোপকে আশাহত করলেন মিরাজ

ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যস্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২৯ রানেই চারটি উইকেট শিকার করেন নেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। এরপর ক্রিজে জুটি বাধেন সিমরন হেটমিয়ার ও সাই হোপ। দলের দুর্দিনে এ জুটি হাল ধরেন। অর্ধশত রানের জুটি বাঁধেন। তবে মিরাজ দলীয় ৮৫ রানে তাদের ভাঙন ধরান। সাজঘরে ফেরান হোপকে।

দ্বিতীয় ইনিংসে এটি মিরাজে দ্বিতীয় উইকেট। এর আগে সকালে ওপেনার কাইরন পাওয়েলকে সাজঘরে ফেরান তিনি।

এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৯৫ রান।

সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ৯ ছক্কার ইনিংসের সমাপ্তি

সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ৯ ছক্কার ইনিংসের সমাপ্তি

অবশেষে থামলো সিমরন হেটমিয়ারের ৯ ছক্কার ইনিংস। সেঞ্চুরির কাছে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত সেই পালক মুকুটে গোঁজা হলো না। ৯৩ রানে থামলো হেটমিয়ারের ইনিংস। মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হয়ে আফসোস নিয়েই ফিরলেন হেটমিয়ার। কারণ টেস্ট ক্যারিয়ারে কোনো সেঞ্চুরি নেই এই হার্ডহিটারের। ৭ রানের জন্যই হলো না ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটি।

এদিকে হেটমিয়ারকে শিকার করে দ্বিতীয় ইনিংসের চতুর্থ উইকেট শিকার করলেন মিরাজ।

মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

এতোদিন পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৭৭ রানে ৬ উইকেট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই এই কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। সেটা ২০১৬ সালের কথা। পুরনো সেই অর্জন ২০১৮ সালে ছাড়িয়ে গেলেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গড়লেন নতুন রেকর্ড। ৫৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে দেশের তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড গড়েছেন ডানহাতি এই অফস্পিনার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ বিকেলে ফিরিয়েছিলেন কাইরন পাওয়েল, সাই হোপ ও রস্টোন চেজকে। আজ তৃতীয় দিন সকালে সিমরন হেটমিয়ারকে দিয়ে শুরু করেন। এরপর একে একে দেবেন্দ্র বিশু, কেমার রোচ এবং শন ডোরিচকে সাজঘরে ফেরান। তার দুর্ধর্ষ বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ঢাকা টেস্টের ম্যাচের প্রথম ইনিংস পর্যন্ত ১৮ টেস্টে মাত্র ৩৩ ইনিংসে বোলিং করেই দেশের ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ ৭৯টি উইকেট দখল করে ফেলেছেন মিরাজ। এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন ছয়বার। এর মধ্যে তিনবার নিয়েছেন ৬ উইকেট আর একবার সাতটি।

এই তালিকায় তার আগে রয়েছেন সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ রফিক ও তাইজুল ইসলাম।

বাংলাদেশে সেরা বোলিং ফিগার –

বোলারের নাম——–উইকেট/রান—–প্রতিপক্ষ—–সাল

১) তাইজুল ইসলাম —-৮/৩৯———-জিম্বাবুয়ে—–২০১৪
২) সাকিব আল হাসান — ৭/৩৬——-নিউজিল্যান্ড–২০০৮
৩) মেহেদি হাসান মিরাজ –৭/৫৮—-ওয়েস্ট ইন্ডিজ–২০১৮
৪) এনামুল হক জুনিয়র —-৭/৯৫ —-জিম্বাবুয়ে——-২০০৫
৫) শাহাদাত হোসেন রাজীব — ৬/২৭—দক্ষিণ আফ্রিকা—২০০৮

বাংলাদেশে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী –

বোলারের নাম———-উইকেট

১) সাকিব আল হাসান — ২০৫*
২) মোহাম্মদ রফিক —– ১০০
৩) তাইজুল ইসলাম —— ৯৬*
৪) মেহেদি হাসান মিরাজ– ৮০*
৫) মাশরাফি বিন মর্তুজা —৭৮*