Category Archives: রাজনীতি

২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ

আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন।

তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৯ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২২ নভেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ২৯ নভেম্বর ।
এবারের নির্বাচনে কিছু কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়ে সিইসি বলেন: নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার হবে প্রবলভাবে । সরাসরিতো বটেই অনলাইনেও এবার মনোনয়নপত্র দাখিলের বিধান রাখা হয়েছে ।

সঙ এর সাথে আলাপ নাকি সংলাপ -মাহমুদুর রহমান মান্না

সঙ এর সাথে আলাপ নাকি সংলাপ

-মাহমুদুর রহমান মান্না
০৩ নভেম্বর ২০১৮

সংলাপ নিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে ক্ষেপেছেন জাতীয় এক্যফ্রন্টের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেছেন, ক্ষমতাসীনরা তাদের জোট শরিকদেরও সংলাপে ডেকে একে ‘গুরুত্বহীন’ করে ফেলেছে।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংলাপ করে আসার দুদিন পর শনিবার এক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতির মধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সংলাপের আহ্বানে সাড়া দিয়ে গত বৃহস্পতিবার তাদের সাথে আলোচনায় বসেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর বিকল্প ধারা, জাতীয় পার্টি, বাম গণতান্ত্রিক জোটকেও সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।

মান্না বলেন, ‘সংলাপটা কি সঙ এর সাথে আলাপ? আপনারই উপদেষ্টা, দিনের মধ্যে চার বার বোধ হয় কথা হয়। তার সাথে সংলাপ কী? আপনারই বিরোধী দলের নেতা, সংসদে দেখা হয়, সংসদের বাইরে কথা হয়। তার সাথে সংলাপ কী? আপনারই কেবিনেটের মন্ত্রী, তার একটা দল আছে, তার সাথে আলাদাভাবে সংলাপ কী?

‘আমরা যেহেতু সংলাপ চেয়েছি, সংলাপ করতে হয়েছে আপনাকে। অতএব এই সংলাপকে যতভাবে ম্যালাইন করা যায়, এই সংলাপকে যতভাবে ছোট করা যায়, এই সংলাপকে যতভাবে ফালতু বানিয়ে দেওয়া যায়, তার জন্য একটার পর একটা কাকে কাকে ডেকে কথা বলছেন, আর তাকে সংলাপ বলছেন।’

‘সমস্ত রঙ তামাশা করার জন্য ক্ষমতায় বসে আছেন। আর মনে করছেন এই রঙ তামাশা করে খুবই একটা বুদ্ধিমানের কাজ করছেন। দেশের মানুষ আপনাকে বুঝতে পারছে, আপনার ওজন কতখানি। অতএব ছাড়েন, না যদি ছাড়েন, পথ একটাই আছে।’

আন্দোলনের হুমকি দিয়ে মান্না বলেন, ‘আমরা এবার ঘরে ঢোকার লোক না। আমরা আন্দোলনই করব। এমন কায়দায় আন্দোলন করব, যখন আপনার গুলি ফুটবে না, যারা গুলি চালায় সেই লোকগুলো গুলি করবে না। এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে, যখন আপনার হাতে কিছুই থাকবে না। আপনি চেষ্টা করবেন কিন্তু পারবেন না। আপনার পতন অনিবার্য।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৬ নভেম্বর ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পর ৯ নভেম্বর রাজশাহীতে জনসভা করবে বলে জানান তিনি।

গণভবনের রুদ্ধদ্বার কক্ষে সংলাপের ছবি ফেইসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সরকারকে দায়ী করে মান্না বলেন, ‘এই সরকারটা কত খারাপ! আমরা গণভবনে সংলাপ করছি, ওটার মধ্যে কোনো সাংবাদিক নাই। ফেইসবুকে ছবি গেল কী করে?’

‘ওদের মতলবই খারাপ। এটা একটা মতলবী সরকার। আপনাদের মনে আছে, মওলানা ভাসানীর বাসায় গিয়েছিলেন তাকে খাইয়ে টাইয়ে ছবি বানিয়ে দেখিয়েছে।’

মান্না বলেন, ‘আমাদের দাওয়াত করা হয়েছিল নৈশভোজের। আমরা বলেছিলাম, ভোজসভার জন্য তো আমরা যাচ্ছি না, আমরা যাচ্ছি সংলাপ করতে। এটা কোনো উৎসব নয়। অতএব নৈশভোজ নয়। উনারা মেনেছেন।’

‘আমরা বলিনি যে, জল পানও করব না। পানি খাওয়াবে, চা খাওয়াবে, চায়ের সাথে বিস্কুট খাওয়াবে, স্ন্যাকস দেবে, কে মানা করেছে? কিন্তু তারা স্ন্যাক্সের সাথে স্যুপের ছবি দিয়ে ছড়াবে- কী বোঝাতে চাইছে? এই নেতারা জীবনে খায়নি, খেতে গিয়েছিল সেখানে? এই সরকার একটা ছোট লোকের সরকার। না হলে এগুলো করতে পারে না।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে আবারও সংলাপে বসার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মান্না। জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘মাটির ডাক’ নামে সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে ‘নির্বাচন ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।

সংগঠনের সভানেত্রী তাসনিম রানার সভাপতিত্বে এই আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ার‌ম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, শওকত মাহমুদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফজলুর রহমান, সহ প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গলও এতে বক্তব্য রাখেন।

গাইবান্ধায় যুব দলের ৪০ তম প্রতিষ্ঠা বর্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা সম্পন্ন৷

44846184_2274141099500417_4120584167719174144_o২৭ অক্টোবর’১৮ শনিবার গাইবান্ধায় যুব দলের ৪০ তম প্রতিষ্ঠা বর্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বর্নাঢ্য রেলী শেষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়৷

গাইবান্ধা জেলা যুবদলের সভাপতি রাগীব হাসান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টু’র পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ সভাপতি জন নেতা খন্দকার আহাদ আহমেদ।
বিশেষ অতিথী হিসেব উপস্থিত ছিলেন শহর বিএনপি’র সভাপতি ও গাইবান্ধা জেলা বিএনপি’র সহঃ সভাপতি জননেতা শহীদুজ্জামান শহীদ।
প্রধান বক্তা গাইবান্ধা জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদুন্নবী তিমু।
এছাড়া অন্যান্যের মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন
আব্দুল মান্নান মন্ডল, আতাউর রহমান প্রমূখ।