সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না

সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না

সাজাপ্রাপ্তরা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না – ছবি : সংগৃহীত

ঝিকরগাছা উপজেলার চেয়ারম্যান ও জাতীয় নির্বাচনে যশোর-২ আসনের বিএনপি মনোনীতপ্রার্থী সাবিরা সুলতানাকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা ও দণ্ড স্থগিত করা হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এই আদেশের ফলে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা কিংবা দণ্ডর মেয়াদী দুই বছরের অধিক হলে দণ্ডিত ব্যাক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। অন্যদিকে সাবিরা সুলতানার পক্ষে শুনারিতে ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আমিনুল ইসলাম, এবিএম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, আখতারুজ্জামান, আনিছুর রহমান খান, আইয়ুব আলী আশ্রফী, মির্জা আল মাহমুদ প্রমুখ।
প্রমূখ। এছাড়াও দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ বি এম বায়েজিদ ও মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে গত ২৯ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে ঝিকরগাছা উপজেলার চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানাকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজা ও দণ্ড স্থগিত করেন বিচারপতি মোহাম্মদ রইচ উদ্দিনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ।

পরে সাবিরা সুলতানার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম জানান, বিচারিক আদালতের দেয়া সাবিরা সুলতানার সাজা ও দণ্ড স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এর ফলে এই আদেশের পর থেকে যারা নির্বাচনে অংশ নিতে চান তারা হাইকোর্টে সাজা বা দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন করে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

তবে গত ২৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নিজ কার্যালয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, সংবিধান অনুসারে ২ বছরের অধিক সাজাপ্রাপ্ত ব্যাক্তির নির্বাচনে অংশ নিতে অযোগ্য হবেন। তাই হাইকোর্টের এই একক বেঞ্চের আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিলে যাবো।

ইসিতে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলে

ইসিতে আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিদলে

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক করতে আজ রোববার সকালে এসেছেন আওয়ামী লীগের ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে সদস্যদের একজন জানান।

বদির গাড়িতে হামলার ঘটনা ‘‘সাজানো নাটক’’

বদির গাড়িতে হামলার ঘটনা ‘‘সাজানো নাটক’’

বদির গাড়িতে হামলার পর তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। – ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের আলোচিত-সমালোচিত এমপি আব্দুর রহমান বদির গাড়িতে গুলি বর্ষণের ঘটনাটি টেকনাফ থানা পুলিশের ‘বিতর্কিত’ ওসি প্রদীপ কুমার দাশের ‘সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপি।

কক্সবাজার জেলা বিএনপি সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে টেকনাফ থানা পুলিশের ‘বিতর্কিত’ ওসি প্রদীপ কুমার দাশের অবিলম্বে প্রত্যাহার চেয়েছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জেলা বিএনপির সভাপতি ও উখিয়া টেকনাফ আসনের ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ গায়েবি ঘটনা সৃজন করে মিথ্যা মামলার মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীদের এলাকা ছাড়া করার মিশনে নেমেছেন।

গত শুক্রবার রাতে এমপি বদির গাড়িতে গুলি বর্ষণের ঘটনাটি ‘সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেন এবং বলেন, টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহসহ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে আরো একটি মিথ্যা মামলা দরকার, তাই এরকম একটি গায়েবি ঘটনার জন্ম দেয়া হয়েছে।

শাহজাহান চৌধুরী আরো বলেন, ওসি প্রদীপ কুমার দাশ প্রকাশ্যে সরকারি দলের ক্যাডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। দায়িত্বজ্ঞান ভুলে গিয়ে তিনি আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমেছেন। প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি হয়ে তিনি নিজেই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করেছেন। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল দমনই যেন এখন তার মূল টার্গেট।

তার দাবি, ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএনপির নেতাকর্মীদের এলাকায় না থাকতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। আমরা যখন নির্বাচনে যাচ্ছি ঠিক তখনই আওয়ামী লীগ তাদের অনুগত প্রশাসনকে নগ্নভাবে ব্যবহার করছে।

বিএনপি প্রার্থীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি ও তার পরিবারের অন্তত ২৫ জন রাষ্ট্রীয় তালিকায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। পুলিশি নিরাপত্তায় এসব মাদক ব্যবসায়ীকে সাথে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছে আব্দুর রহমান বদি। সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না প্রমুখ।

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় আব্দুর রহমান বদির গাড়িতে হামলার পর তিনি গণমাধ্যমের কাছে তাৎক্ষণিক হামলার জন্য টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে দায়ী করেন। কোনরকম প্রমাণ ছাড়াই তিনি আব্দুল্লাহকে অভিযুক্ত করেন। গণমাধ্যমে তার নাম বলে দেন।

নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চাপ দিন

নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চাপ দিন

খালেদা জিয়া – ছবি : সংগৃহীত 

ইউরোপভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন সেন্ট্রিস্ট ডেমোক্র্যাট ইন্টারন্যাশনাল (সিডিআই) বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনা প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিকরণের নিন্দা জানিয়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসিকে পক্ষপাতমূলক হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকা এবং নিরপেক্ষ ও ন্যায্য গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বাংলাদেশ সরকারের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছে।

সিডিআই নির্বাচনের সময় বাংলাদেশ সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য বলতে ইইউর পররাষ্ট্রবিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে হবে। এতে বাংলাদেশের জনগণ তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
একই সাথে নির্বাচনের আগে কারাগারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে সিডিআই প্রতিনিধিদল দেখা করার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক সহায়তা প্রদানে পররাষ্ট্রবিষয়ক ইইউ উচ্চপদস্থ প্রতিনিধির প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচন পরিচালনা প্রতিষ্ঠানগুলোর আব্যাহত রাজনীতিকীকরণ বন্ধ করা এবং বর্তমান সংসদ ভেঙে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ১৯৬১ সালে খ্রিষ্টান ডেমোক্র্যাটস ওয়ার্ল্ড ইউনিয়ন (ডব্লিউইউসিডি) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি নিউ ইন্টারন্যাশনাল টিমস, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটস (ইইউসিডি), খ্রিষ্টান ডেমোক্র্যাট অর্গানাইজেশন অব আমেরিকা (সিডিওএ) এবং খ্রিষ্টান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন অব সেন্ট্রাল ইউরোপের (সিডিসিই) উত্তরসূরি হিসেবে তৈরি করা হয়। ১৯৯৯ সালে এটি বর্তমান নাম সেন্ট্রিস্ট ডেমোক্র্যাট ইন্টারন্যাশনাল গ্রহণ করে।

১৯৮৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবর্তনের পথ ধরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে মানবজাতির জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে সংঘর্ষের সমাপ্তির পর নতুন স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর সৃষ্টি, গণতন্ত্রের সংগ্রাম এবং বিশ্বায়ন শুরু হয়। শান্তি, স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও সংহতিতে বসবাসের জন্য এই নতুন সহস্রাব্দটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় সম্প্রদায়ের সামনে নতুন সুযোগের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি করে।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সিডিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সিডিআই নির্বাহী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কলম্বিয়ার আন্দ্রেস পাসস্ট্রা, সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে কাজ করছেন স্পেনের অ্যান্টোনিও লোপেজে-ইস্তাররিজ। সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্টের মধ্যে রয়েছেনÑ পাবলো ক্যাসাদো (স্পেন), ভিক্টর ওরবান (হাঙ্গেরি), প্যাট্রিস ট্রোভোডা (সাও টোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে), আমিন জামায়েল (লেবানন), জেনেস জাঞ্জা (স্লোভেনিয়া), এলমার ব্রক (জার্মানি), সিজার এমএআইএ (ব্রাজিল), হুয়ারি বেনারবা (আলজেরিয়া), ইরা সুস (কম্বোডিয়া), মারিও ডেভিড (পর্তুগাল), লরডেস ফ্লোরেস (পেরু), ইসাইয়া সামাকুভা (অ্যাঙ্গোলা), মার্কো আন্তোনিও অ্যাডাম কাস্টিলো (মেক্সিকো), মিলটন হেনরিকস (পানামা) ও আন্ডারস হেরান্দেজ (কিউবা)। সংগঠনটির কোষাধ্যক্ষ হলেন, হুয়ারি বেনারবা (আলজেরিয়া)

কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ সম্পর্কে নেয়া সিডিআইর প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বরে সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের কয়েক সপ্তাহ আগ পর্যন্ত, বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ হাজার হাজার বিরোধীদলীয় নেতা-নেত্রী ও কর্মীকে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে তাদের অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত মামলায় তাকে বন্দী রাখা হয়েছে বলে ব্যাপকভাবে মনে করা হয়।

প্রস্তাবে বলা হয়, বিরোধী দলের নেতাদের কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দল ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নামে নতুন একটি আইন পাস করেছে, যা সরকারের জন্য তার সমালোচনাকারীদের জেলে দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি করছে। সরকার এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নজরদারির মধ্যে আনতে চায়। র্যাব নৃশংসতার জন্য খ্যাত একটি আধা সামরিক সংস্থা। আর নির্বাচনের সময়কালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এটাকেই ব্যবহার করা হতে পারে।
সিডিআইর মতে, সাম্প্রতিক এসব পরিস্থিতি আইন ও মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন আর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিবেশ সৃষ্টির পথে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করছে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সিডিআই ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছে।

ইইউর পররাষ্ট্র বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধির প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচন সম্পর্কে অবিলম্বে বিবৃতি দিয়ে বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক কর্মীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং সহিংসতা বন্ধ করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে সিডিআই। সংস্থা উল্লেখ করেছে, নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার পর বিরোধীদলীয় প্রার্থী হত্যার মতো ঘটনা এবং বিরোধীদলীয় কর্মীদের ব্যাপক হারে গ্রেফতার চলছে। অবিলম্বে এসব বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

সিডিআই বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিত এবং বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের শর্ত পূরণ করার জন্যও আহ্বান জানিয়েছে। সিডিআই আফগানিস্তানের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম উন্নয়ন সহায়তা গ্রহণকারী বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে পূর্ণ পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর জন্য ইইউর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। ইইউ যে ৬০ কোটি ইউরো সহায়তা বাংলাদেশকে দিচ্ছে এর মধ্যে গণতান্ত্রিক শাসনের জন্য সাহায্যও রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিরোধী দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা ও সরকারি মন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার জন্য সিডিআই ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আহ্বান জানিয়েছে।

সিডিআই বাংলাদেশের নির্বাচনের সময় ইইউ মিশন প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ প্রতিনিধির প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেছে যে, সিডিআই গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং হতাশ হয়েছে এ জন্য যে বাংলাদেশ সরকার পর্যাপ্ত সময় নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষককে আসার আমন্ত্রণ জানায়নি। এর পরও দেশটিকে ইইউ আর্থিক সহায়তা দিলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। যারা বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিশেষভাবে দেখার জন্য ইইউকে আহ্বান জানিয়েছে সিডিআই।

https://al-insaf24bd.news.blog/2018/12/02/বেতন-ভাতাই-সাহারা-খাতুনে

বেতন-ভাতাই সাহারা খাতুনের একমাত্র আয়ের উৎস!

সাহারা খাতুন। – ছবি: সংগৃহীত 

অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারনী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের সদস্য। নবম ও দশম সংসদে টানা দুবারের এমপি। অবশ্য দশম সংসদে বিনাভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। রাজনীতিতে এতটাই নিমগ্ন ছিলেন যে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব একটা ভাবেননি। বিয়েথা কিছুই করেননি। রাজনীতি করেই জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে হাজির।

সাহারা খাতুনের আয়ের একমাত্র উৎস হলো পারিতোষিক। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট, দোকান, কৃষিখাত, ব্যবসা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, পেশা ও চাকরি থেকে কোনো আয় নেই তার। শুধু উত্তরায় রাজউক থেকে প্রাপ্ত একটি প্লট রয়েছে তার নামে। যার মূল্য ৬৮ লাখ ১৬ হাজার ৪৪৬ টাকা। মাত্র ৫ তোলা স্বর্ণ রয়েছে, যার মূল্য দুই হাজার ৫ শ’ টাকা ধরা হয়েছে। ৩০ লাখ ৬৮ হাজার ৬২ টাকা মূল্যের একটি গাড়ি রয়েছে তার। হলফনামাতে পেশায় নিজেকে আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিলেও বছরে পেশা থেকে কোনো আয় নেই তার।

অন্য দিকে নগদ ও ব্যাংকে জমা মিলে তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৮ লাখ টাকা বলে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিলের হলফনামাতে উল্লেখ করেছেন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাহারা খাতুন ঢাকা-১৮ আসনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

সাহারা খাতুন হলফনামাতে উল্লেখ করেছেন, তার তেমন কোনো কিছু নেই। স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি জমি, অকৃষি জমি, দালান-আবাসিক ও বাণিজ্যিক বা অ্যাপার্টমেন্ট, চাবাগান, মৎস্য খামার কোনো কিছুই নেই। তবে পৈতৃক সূত্রে যৌথ মালিকানায় তার কিছু সম্পদ আছে। বছরে তিনি ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা পারিতোষিক পান। আর সেগুলো হলো ৩৪ তেজকুনিপাড়াতে এক লাখ টাকা মূল্যের অকৃষি জমি, ৩৬ তেজকুনিপাড়াতে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের দালান, শ্রীপুর, গাজীপুরে সাড়ে ১৫ হাজার টাকা মূল্যের বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট, আড়াই হাজার টাকা মূল্যের ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী এবং আড়াই হাজার টাকা মূল্যের আসবাবপত্র রয়েছে তার নিজ নামে।

হলফনামায় সাহারা খাতুন বলেছেন, আমি একক বা যৌথভাবে বা আমার ওপর নির্ভরশীল কোনো সদস্য থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করি নাই। এ ছাড়া আমি একক বা যৌথভাবে বা আমার ওপর নির্ভরশীল কোনো সদস্য বা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ম্যানেজিং ডাইক্টের বা ডিরেক্টর হওয়ার সুবাদে ওই সব ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ঋণ নেইনি। তার নামে কোনো দায়দেনা নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ দিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাহারা খাতুনের হলফনামার তথ্যানুযায়ী সে সময় বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট বা দোকান ভাড়া থেকে তার বার্ষিক আয় ১ লাখ ১২ হাজার টাকা। মন্ত্রী হিসেবে ভাতা থেকে আয় ৬ লাখ ৩৭ হাজার টাকা। আর সুদ থেকে ২৮ হাজার ৯৮৪ টাকা ছিল। অস্থাবর সম্পদ ছিল ২১ লাখ ১৬ হাজার ৯০২ টাকার, যানবাহনের মূল্য ছিল ৪৪ লাখ ৯০ হাজার ৭৫০ টাকা।

মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং

এতোদিন পর্যন্ত মেহেদী হাসান মিরাজের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৭৭ রানে ৬ উইকেট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই এই কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি। সেটা ২০১৬ সালের কথা। পুরনো সেই অর্জন ২০১৮ সালে ছাড়িয়ে গেলেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গড়লেন নতুন রেকর্ড। ৫৮ রানে ৭ উইকেট নিয়ে দেশের তৃতীয় সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড গড়েছেন ডানহাতি এই অফস্পিনার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ বিকেলে ফিরিয়েছিলেন কাইরন পাওয়েল, সাই হোপ ও রস্টোন চেজকে। আজ তৃতীয় দিন সকালে সিমরন হেটমিয়ারকে দিয়ে শুরু করেন। এরপর একে একে দেবেন্দ্র বিশু, কেমার রোচ এবং শন ডোরিচকে সাজঘরে ফেরান। তার দুর্ধর্ষ বোলিংয়ে প্রথম ইনিংসে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ঢাকা টেস্টের ম্যাচের প্রথম ইনিংস পর্যন্ত ১৮ টেস্টে মাত্র ৩৩ ইনিংসে বোলিং করেই দেশের ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ ৭৯টি উইকেট দখল করে ফেলেছেন মিরাজ। এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন ছয়বার। এর মধ্যে তিনবার নিয়েছেন ৬ উইকেট আর একবার সাতটি।

এই তালিকায় তার আগে রয়েছেন সাকিব আল হাসান, মোহাম্মদ রফিক ও তাইজুল ইসলাম।

বাংলাদেশে সেরা বোলিং ফিগার –

বোলারের নাম——–উইকেট/রান—–প্রতিপক্ষ—–সাল

১) তাইজুল ইসলাম —-৮/৩৯———-জিম্বাবুয়ে—–২০১৪
২) সাকিব আল হাসান — ৭/৩৬——-নিউজিল্যান্ড–২০০৮
৩) মেহেদি হাসান মিরাজ –৭/৫৮—-ওয়েস্ট ইন্ডিজ–২০১৮
৪) এনামুল হক জুনিয়র —-৭/৯৫ —-জিম্বাবুয়ে——-২০০৫
৫) শাহাদাত হোসেন রাজীব — ৬/২৭—দক্ষিণ আফ্রিকা—২০০৮

বাংলাদেশে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী –

বোলারের নাম———-উইকেট

১) সাকিব আল হাসান — ২০৫*
২) মোহাম্মদ রফিক —– ১০০
৩) তাইজুল ইসলাম —— ৯৬*
৪) মেহেদি হাসান মিরাজ– ৮০*
৫) মাশরাফি বিন মর্তুজা —৭৮*

সংবাদ সম্মেলনের পরই বিএনপি নেতার বাড়ি ভাংচুর

সংবাদ সম্মেলনের পরই বিএনপি নেতার বাড়ি ভাংচুর

 

জয়নাল আবদীন ভিপি – ছবি : সংগৃহীত

ফেনীজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ নেতার গ্রামের বাড়ি বালিগাঁও ইউনিয়নের সুন্দরপুরে শনিবার রাতে হামলা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা। সিরাজ নেতা অভিযোগ করেন, ফেনী-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপির বাড়িতে শনিবার বিকালে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকায় সরকার দলীয় ক্ষুদ্ধ হয়ে এ হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, শনিবার রাত পৌঁনে ৯টার দিকে বাচ্চু মিয়ার ছেলে যুবলীগ নেতা কামরুলের নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসী তার বাড়ি সংলগ্ন ৮-১০টি দোকান ভাংচুর করে। এসময় সন্ত্রাসীরা দোকানের ভাড়াটিয়াদেরকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দোকান ছেড়ে দেয়ার হুমকি দেয়। অন্যথা দোকান অগ্নিসংযোগ করা হবে এবং ভাড়াটিয়াদেরকে প্রাণনাশেরও হুমকি-ধমকি দেয়া হয়। রোববার দুপুরে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দোকানগুলো বন্ধ রয়েছে। ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে বিএনপি প্রার্থী জয়নাল আবদীন ভিপি নয়া দিগন্তকে জানান, সংবাদ সম্মেলনের পর সরকার দলীয় সন্ত্রাসীরা তার বাড়ির আশপাশ থেকে কিছুটা দূরবর্তী স্থানে অবস্থান নিয়েছে। রাতে বাড়ির সামনে পুলিশ পাহারা ছিল। তিনি রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে অংশ নিতে দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে যান। তবে হামলার ভয়ে নেতাকর্মীরা তার বাড়িতে যাতায়াত করছে না বলে তিনি দাবি করেন।

প্রশাসনে রদবদলের দাবি অবান্তর : এইচ টি ইমাম

প্রশাসনে রদবদলের দাবি অবান্তর : এইচ টি ইমাম

ইসিতে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করছেন এইচ টি ইমাম।

প্রশাসনে রদবদলে বিএনপির দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, তাদের সে দাবি অবান্তর। দলীয় সরকার ক্ষমতায় জেনেই তারা নির্বাচনে এসেছে। প্রশাসনের রদবদলের নামে বিএনপি যা বলছে তাতে পুরো সরকারকেই ওলটপালট করতে হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন আওয়ামী লীগের ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে তারা ইসির সাথে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে বৈঠক করেন।

এইচটি ইমাম বলেন, বিএনপি তো মেনেই নিয়েছে এই সরকার ও এই প্রশাসনের নির্বাচনে অংশ নেবে। এখন আবার এই প্রশ্ন কেন। তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি সরকার ও ইসিকে উদ্দ্যেশ করে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগ প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম। এ ছাড়া অন্য সদস্যরা হলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল ফারুক খান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হক চৌধুরী নওফেল, সাংসদ ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পি, রাশেদুল হক, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, এস এম কামাল হোসেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবির কাউসার, তানভীর ইমাম, ড. সেলিম মাহমুদ।

শেখ হাসিনা হারলে কারো পিঠের চামড়া থাকবে না : জেনারেল মাসুদ উদ্দিন
০২ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৬:৪৬

লে. জে. (অব:) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী – ছবি : সংগ্রহ
সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে মহাজোট মনোনীত প্রার্থী জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জে. (অব:) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো: রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনের সঞ্চালনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ফেনী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি নাজমা আক্তার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এম এ মজিদ ভুলু মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহিরুল আলম জহির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক মফিজুল হক, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি হাজী আবু মো: সুফিয়ান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিম পাটোয়ারী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো: ফারুক হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরণ, চরচান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মিলন, চরমজলিসপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ হোসেন, মঙ্গলকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বাদল, বগাদানা ইউপি চেয়ারম্যান ইসহাক খোকন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম ভুট্ট, মতিগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান রবিউজ্জামান বাবু, মহিলা আওযামী লীগের সাধারণ সম্পাদিকা খোদেজা খানম শাহীন, মুক্তিযোদ্ধা মো: ইসমাঈল, পৌর কাউন্সিলর নূরনবী লিটন ও শেখ মামুন প্রমুখ।

এ সময় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছি। ফেনী-৩ আসনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। তিনি মান অভিমান ভুলে আগামী ৩০ ডিসেম্বর মহাজোটের সব নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে লাঙল প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। মহাজোটের প্রার্থী হারলে শেখ হাসিনা হারবেন। আর শেখ হাসিনা হারলে কারো পীঠের চামড়া থাকবে না। দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।